ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস জানিয়েছে, সোমবার হরমুজ প্রণালীতে মাইনে আঘাতের পর একটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে ইরানের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করার পর এটি এ ধরনের সর্বশেষ ঘটনা। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইরান। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।
ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের আগে সব জাহাজকে দেশটির অনুমতি নিতে হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে রেভল্যুশনারি গার্ডসের বরাত দিয়ে বলা হয়, ‘নিয়ম লঙ্ঘন করে চলাচলকারী একটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে একটি নৌমাইনে আঘাত হানে। এতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষে আগুন ধরে যায়।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ট্যাংকারটি প্রণালীর দক্ষিণ দিকের ‘অননুমোদিত নৌপথ’ দিয়ে চলাচল করছিল। এ সময় জাহাজটির অবস্থান শনাক্তকরণ ও নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ ছিল।
এর এক দিন আগে রেভল্যুশনারি গার্ডস জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালীতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়। ওই দুটি জাহাজই মাইনে আঘাত হানার পর আগুনের কবলে পড়ে বলে দাবি করা হয়।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসের নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল আলী ওজমায়ি সতর্ক করে বলেছেন, যেসব জাহাজ তাদের নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রাখবে, সেগুলোকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের অবরোধের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে।
সূত্র: বাসস
কমেন্ট বক্স